স্বপ্নসংক্রান্ত ১১

আমাদের মধ্য থেকেই কেউ একজন আমাদের মেরে ফেলতে চায়। আমরা জানি কিন্তু আমরা জানি না কে।

Advertisements

স্বপ্নসংক্রান্ত ১০

কেউ একজন অনেককে খুন করছে। আমার পরিচিত লোকজনকে। আমারই উপস্থিতিতে। এবং উভয়েই জানে যে আমি বর্তমান। আমার সামনে তারা নির্বিঘ্নে খুন করছে, হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আতঙ্কিত হচ্ছি। খাটের নিচে লুকাচ্ছি। যেন খুনগুলা আমার করা। কিন্তু আমি তো খুন করি নাই। তারপরও পালাচ্ছি।

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৯

আমরা একটা নতুন এলাকায় গেছি, বা নতুন শহর। অন্ধকার, রাতের বেলা – রাস্তা, দোকানপাট, শীতের কাল, কানটুপিপরা লোকজন চায়ের দোকানে। হঠাৎ একটা কুকুর আসল। কালো রংয়ের, হাসিখুশি। আমি আহ্লাদী করতে লাগলাম, কুকুর লেজ নাড়তে লাগল, পিছন-পিছন যেতে থাকল। কার বাসায় যেন যাওয়ার কথা ছিল আমাদের। আমরা গেলাম, কুকুরটাও গেল। আমরা পৌঁছালে পর যার বাসা সে দরজা খুলল। কুকুরটার দিকে তাকাল সে। তাকায়ে থাকল। তারপর বলল, তোমাদের সাথে যে কুকুরটা, সে কুকুর না।

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৮

একটা পুরাতন বাড়ি। বা পুরাতন দেখতে নতুন বাড়ি। আমি ছাদে। বৃষ্টি ছিল হয়তো, ফ্লোরে পানি ছিল। আর কেমন যেন গুঁড়াগুঁড়া পাথর। কাচের টুকরার মতো, সিমেন্টের মতো, মোজাইকের মতো। ছাদ থেকে নিচে নামতে হলে একটা বারান্দা-মতন টপকে নামতে হয়। আমি নামতে গিয়ে পড়ে গেলাম। এবং পড়তেই থাকলাম। হঠাৎ দেখলাম আরেকটা মেয়েও পড়ছে, আমার পাশে পাশে। আমরা কথা বলতে লাগলাম। পতন শেষ হওয়ার পর বাড়িটা ঘুরে দেখতে লাগলাম আমরা। প্রাসাদের মতো বাড়ি। বিরাট করিডর, আধো অন্ধকার, শব্দ নাই। আমরা একটা একটা করে রুমে ঢুকতে লাগলাম। দেখলাম অনেকজন মেয়ে। সবাই ঘুমাচ্ছে। কাপড় নাই কারো গায়ে। আরেকটা রুমেও একই দৃশ্য। তারপর আরেকটা রুম। তৃতীয় রুমটায় যাওয়ার পর একজনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। সে তাকাল আমাদের দিকে।

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৭

ওরা আমাকে কিছুতেই যেতে দিবে না। ‘তুমি তো কন্ট্র্যাক্ট সাইন করেছ। ওখানে তো লেখা ছিল।’ ‘কিন্তু… তাই বলে… এত…’ ওরা আমাকে কিছুতেই যেতে দিবে না। ‘তুমি কন্ট্র্যাক্ট সাইন করেছ। দেয়ার্‌জ্‌ নো ওয়ে আউট।’

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৬

আই ড্রেম্‌ট্‌ ইউ ডাইড। পানিতে ডুবে মারা গেছ। যে বাড়িটায় তুমি থাকছিলা সেটায় সুইমিং পুলমতন ছিল একটা। সেখানে ডুবে মারা গেছ। সুইমিং পুলঅলা জায়গাটা দেখতে গুহার মতো। গুহার ভিতর পানি। না গুহা না ডান্‌জন্‌। নিচে পানি আমি উপরে রেলিং ধরে দাঁড়ানো। তোমাকে দেখা যাচ্ছে না কোথাও। ভাবলাম সেইদিনই তো দেখা হল। সেইদিনই দেখা হয় নাই। কিন্তু তাও ভাবলাম। সেইদিনই না-দেখা হলে পর কতকিছু বলা হয় নাই। আমি এসএমএস লিখতে লাগলাম তোমাকে। কিন্তু ওখানে তো এসএমএস যায় না। সেটা তো আমি জানি। তোমার থেকেই জানি। এখন কী করব আমি এলিজি লিখব? কিন্তু তুমি তো মরো নাই!

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৪

রেস্টোরান্টটায় আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। সামনাসামনি চেয়ারে বসে, টেবিলে মাথা রেখে। স্যান্ডউইচগুলা একেকটা দেখতে একেকরকম ছিল, আমরা ঘুম থেকে উঠে দেখলাম। আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম না কোনটা খাব। আমরা চলে আসলাম। বাইরে-রাখা বেঞ্চটায় বসার পর থেমে-থাকা বাইকে বসে-থাকা লোকটা জিজ্ঞেস করল তোমরা কী করছিলা। আমরা বললাম আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। তারপর তুমি শহরের অপরপ্রান্তে যেতে চাইলা জলপাই খেতে।