জগদ্দল

আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। পাথর ঠ্যালে আর গড়াইয়া পড়ে ঠ্যালে আর গড়াইয়া পড়ে। তাও সে ঠ্যালে, ঠেইলাই যায়। আমি পাথরের মতন ডুইবা যাই পানিতে, তলাইয়া যাই। পানির তলেই থাকি আমি। পানি কাইটা যাই এদিক ওদিক। নদীর পানি, নদীর পাশেই পাহাড়। আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। দিন যায় রাত যায়, দিন আসে রাত আসে। ঘুম নাই, খিদা নাই, তৃষ্ণা নাই। ঠ্যালনের কাম তার। আমি তো পানির তলায়। পানির তলের কাদা আমারে আটকাইয়া রাখে, গাঁইথা রাখে। আমার বাড়ির পাশে আরশিনগর, আমি তারে দেখি না। আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। আমি দিন গুনি রাত গুনি। পানির তলে সময় পার হয় ধীরে বড় ধীরে। গতি যেন বাড়ে না। আবার বাড়লেও

Continue reading

Advertisements

Nepal 2016 aka Sometimes You Don’t Call But They Come

08. 09. 16

Day 1

The airport today seems like a comparatively bigger bus stand. ‘bhai Singapore jaben, Singapore? You wanna go to Singapore, Bro?’ Saw one pretty guy. Only one.

Forty-five minutes. Then the landing. The airport took the noon, the hotel took the afternoon. The evening gave Boudhanath.

And there she was. The Lady in Red. The Lady who looked like she was searching for something. Or someone? Or was she searching at all? Everyone was turning round in circles. I turned the circle wrong.

The night gave MoMos. MoMos that I missed, MoMos that I craved. MoMos that I still loved equally as much, if not more. MoMos that after having them made me realize that perhaps in my memory I had enhanced their taste manifold in my memory. The past was easier. In the present.

In midst of the blinking lights, the chicken MoMos, the Sangria, and the “She Will Be Loved” coming afloat from a faraway bar I thought that these thoughts might just get lost. And I thought that I might never be happy with anyone, anywhere.

Midnight made me sink into sleep. [And think that I want to get drunk with you.] The bed was too soft.

 

09.09.16

Day 2

On the road. From Kathmandu to Pokhara.

It rained. And I saw the most beautiful purple-orange hue I ever saw.

Then came food, rain and music. And a dancer whose sad and distant look reminded me of Gong Li, in some WKW movie.

A late night friend kept me company. Or I him. Not that he asked for it. I did.

 

10.09.16

Day 3

Pokhara. The attempt, the desire – to see the sun rise, on the mountains. The clouds, the fog, the drizzle. A peek. It was beautiful. It was mountains. Mountains are not my thing. I cannot climb them.

 

11.09.16

Day 4

On the road. From Pokhara to Kathmandu. For what seemed like forever. The Lady in Red crossed my mind. And the shawls that lured humans to just feel them.

6

 

12.09.16

Day 5

Nagarkot, Bhaktapur. The old. Anew.

 

13.09.16

Day 6

Kathmandu again. Wondering about human connections. Who do I feel connected with? Do I?

Patan Durbar Square. Museum. The old again. Anew.

Boudhanath again. Devotion, prayer. Going round. Because that’s what you do when you’re devoted. That’s what you do when you pray. You go round. And round. Again. You repeat.

 

14.09.16

Day 7

Kathmandu. The last day. The end. Are ends ever ends?

End of the travel. Or the tour? Are you a traveller or a tourist? The line between differences and similarities is very thin.

‘Do you still get cranky and sad after leaving a place?’

Went to a rock bar and didn’t dance. Saw a cute guy and didn’t flirt. [And thought that I still want to get drunk with you.] He left after a while, though, I think. Didn’t see him anymore, couldn’t find him.

The band started playing. She will be loved. Again.

 

15.09.16

Day 8

Airport. Delayed flight. Sitting reading Middlesex for what seemed like forever. The end for real. The end for real? Someone said forever can be one second.

14295463_672424899577224_901050545_n

Dear Human, Just Feel Me

You see me like Alice saw Wonderland, with curious bewilderment and excited fright. I see you like the Alice I once was, but am not anymore. You look at me like I am not from here. You think of me as the one who got you into trouble, the one who will surely get away. You long for me; while I long for someone else, of course, inevitably. Confused, lost, tired. Constantly dangling between drastic purpose and existential woe, repetition and dispassion. And you, you smell like hotel rooms. The nice ones, the ones that smell good. Of air conditioning and air freshener and God-knows-what. Of something floral maybe, maybe new sheets. My eternal love for hotel rooms, my immense longing to belong. Do I stay, put up the “Do Not Disturb” sign? Dare I leave? Get out of the room – let out the room from me?

15 December 2016

পাখির নাম কী হবে? ইউ ডিসাইড। শুধু পাখিই থাকুক? ।। আনিকা শাহ অ্যান্ড চিংখৈ অঙোম

 

DSCN1264
ছবি: আনিকা শাহ

 

আমাদের দুইটা পাখি ছিল। আমার আর আনিকার। দাম মনে নাই। সালও না।

চিংখৈ বিয়ে করলা কোন সালে? ২০১৪? সেই সাল।

আমরা অইদিন বইমেলায় একসাথে যাই। অনেক্ষণ হাঁটাহাঁটি করি। চারুকলার মোল্লা দিয়ে ঢুকি মনে হয় প্রথমে। তারপর হাঁটতে হাঁটতে কই কই।

বইমেলায় যাইতে একটা কালি মন্দির। কিছু একটা হইতেছিল তখন যখন আমরা মন্দিরটার সামনে দিয়ে হেঁটে যাই। মিউজিক শুনে আগ্রহী হই আমরা। কির্তন হইতেছিল।

ভিতরে ঢুকে আমরা মন্দিরের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। কির্তন শুনি কিছুক্ষণ। ঝাপসা ঝাপসা মনে আছে আমার। আনিকার মনে থাকতে পারে স্পষ্ট। কিংবা তারও ঝাপসা ঝাপসা। কিংবা সে পুরোটাই ভুলে গিয়ে থাকতেও পারে।

আমরা যখন সেই ঝাপসা ঝাপসা মন্দির থেকে বের হই হই, এক ভক্ত আমাদের কপালে তীলক আঁইকা দিতে আগায়া আসে।

তিলকসংক্রান্ত কিছুই আমার মনে নাই। ইন ফ্যাক্ট আমার ধারণা এইটা চিংখৈ-এর কন্সট্রাক্টেড মেমোরি। কিংবা এই মেমোরির সাথে ওভারল্যাপ করা অন্য কোনো মেমোরি।

মন্দির থেকে বের হয়ে বইমেলায় গিয়ে দেখি বিরাট ভীড়। বইমেলার বাইরে আরেক মেলা বৈকি। পিঠা, চটপটি, ফুচকা, চানাচুর, পপকর্ন, পাখি, খেলনা, বেলুন, ধুলা, বালি, নয়েজ, ইত্যাদি।

আমরা কিছু খাইছিলামও বোধহয়।

সন্ধ্যা নাইমা গেছে তখন। অন্ধকার আকাশ। রেন্ডমলি হাঁটতেছিলাম আমরা। উদ্দেশ্যবিহীন। একটা মেলানকলিরে সাথে নিয়া।

মেলানকলিটাও কন্সট্রাক্টেড। ওভারল্যাপিং।

আমাদের পাখিটা উড়তে পারে। মানে ওড়ানো যায়। চাবি দেয়ার মতো কী একটা করতে হয়। তারপর ছাইড়া দিলে পাখিটা পাখির মতো ডানা ঝাপটাইতে ঝাপটাইতে উড়তে থাকে। তারপর চাবি ফুরায়া গেলে ডানাগুলা ক্লান্ত হয়ে আসে। ক্লান্ত পাখিটা মাটিতে নাইমা আসে। কিছুক্ষণ ছটফট করতে থাকে। তারপর নিথর। পাখিঅলার সাগরেদ তখন পাখিটারে নিয়ে আসে। আবার চাবি দেয়া হয়।

দূর থেকে দেখতেছিলাম আমরা এইসব।

আমরা দুইটা পাখি কিনি। দাম কমাবার চেষ্টা ছিল আমাদের। পারি নাই। পাখিঅলা বলে প্যাকের মধ্যে মেনুয়াল আছে, অইটা দেখে আমরা নিজেরাই জোড়া লাগায়া পাখি বানায়া ওড়াইতে পারব। আমাদের হাতে দুই প্যাকেট পাখি ধরায়া দেয় লোকটা। দাম মনে নাই। সালও না।

২০১৪। আমি বোধহয় পরে ঠিকঠাক বানাইতে পারব কি না এরকম সন্দেহ প্রকাশ করছিলাম, বা তখনই বানায়ে দেখতে চাইছিলাম, এবং নিজেই বাতিল করছিলাম সেই প্ল্যান। এরকম কিছু।

হাঁটতে হাঁটতে এইসব কথা বলতেছিলাম বোধহয় আমরা। নাকি পরে রিকশায় বসে। ঝাপসা ঝাপসা মনে আছে আমার। চিংখৈ-এর মনে থাকতে পারে স্পষ্ট। কিংবা তারও ঝাপসা ঝাপসা। কিংবা সে পুরাটাই ভুলে গিয়ে থাকতেও পারে।

 

তারপর অনেকদিন।

একদিন আনিকার সাথে কথা হয়। ম্যালাদিন পরে। পাখি নিয়ে। এমনি অন্য কথা এর মাঝে হইছে অনেক।

আমরা কেউই পাখিটারে ওড়াই নাই। আনিকা চেষ্টা করছিল। পারে নাই। আমি চেষ্টা করি নাই। ভুলে যাই। এইসব আলাপ হয় আমাদের।

হ্যাঁ, আমি জোড়া লাগাইতে পারছিলাম, কিন্তু উড়াইতে পারি নাই। পাখি উড়তো না।

আমি আনিকাকে বলি, তোমার পাখিটা নিয়ে আইসো। আমি শিখায়া দিব। তুমি ওড়াবা।

চিংখৈ খুব ভাব নিয়ে এমনভাবে বলছিল যেন ও পারবেই। যেন ও পেরেই থাকে, এসব।

বসুন্ধরা সিটিতে ফুডকোর্টে বসে খাইতে খাইতে আমি আনিকার পাখিটারে বাইর করি প্যাক থেকে। পলিথিন প্যাকে মোড়া প্লাস্টিকের পাখি।

ফুডকোর্টে বাইর করছিলাম? বাইরে সিঁড়িতে না?

আমি ট্রাই করি কিছুক্ষণ। জোড়াটোড়া লাগায়া পাখির শেইপ একটা দাঁড় করাই। কিন্তু মেকানিজমটা ঠিক করতে পারি না। দমঅলা ডানাটারে ঠিক করতে পারি না।

আমাদের আর পাখি ওড়ানো হয় না।

তোমার পাখিটার কী হইছিল পরে?

আমারটা আমি জানিই না কই। হারায় গেছে।

হুম্‌। আমি ফালায় দিছি।

 

১৮ মে ১৬

কলিশন কোর্স

আমি তো ভাবছিলাম তুই অনেকদূর পর্যন্ত গেছিলি, এইজন্য দেরি হইতেছে।

আমি অনেকদূর পর্যন্তই গেছিলাম।

সাইকেল থেকে, না? হুম্। রাত করে সাইকেল চালাইতে গেছিলেন ক্যান?

Yah, blame it on the night.

ভোগাবে আপনাকে। ড্রেসিং করে দিতেছি। কয়েকদিন ব্যান্ডেজ বেঁধে রাইখেন, তারপর খোলাই রাখতে পারবেন। সময় লাগবে ঠিক হইতে। কীরকম সময় লাগবে? সময় লাগবে।

আরেহ্ তুই তো হাঁটতেছিস, ধুর্ কিছু হয় নাই তোর। লোকে হাসবে শুনলে, বুড়া বয়সে অ্যাক্সিডেন্ট করছিস, আর চালাইতে হবে না সাইকেল। সাইকেল চালাইতে গেলে ওইরকম হয়ই এক-দুইবার, ব্যাপার না। ক্যামনে যে ঘটল ব্যাপারটা…

ক্যামনে যে ঘটল।

কিন্তু তুমি তো পারো…

কিন্তু আমি তো পারি।

‘Sometimes we’re on a collision course, and we just don’t know it. Whether it’s by accident or by design, there’s not a thing we can do about it.’

And I tend to my wounds. Ointment and gauze and cotton balls. Hot water and scissors. Surgical tape.

সাইকেলটাই কুফা আসলে।

ঘটনা ভালো তো। বোরডম কাটায়।

আবার বাঁধতেছ কেন? খোলা না রাখতে পারবা বলছিলা?

কে হায় আঘাত খোলা রেখে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসে!

সাইকোসোম্যাটিক না? সাইকোসোম্যাটিক তো।

সাইকোসোম্যাটিক।

 

০২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

লোস দিয়াস পের্‌দিদোস

Day 1

দুই সপ্তাহ ধরে ক্যাম্পাসে। মাঝখানে যে বাসায় যাই নাই তা না, কিন্তু মূলত এখানেই। ক্লাস করি, পরীক্ষা দেই। মুভি দেখি। অং কার ওয়াই। একবার দেখা মুভি আবার দেখি। বারবার দেখি। আচ্ছন্নের মতো। কাজ জমে থাকে, করি না। একই বিষয় নিয়ে ক্রমাগত ভাবতে থাকি। বারবার। পুরাতন বিষয়। আনরিসল্‌ভ্‌ড্‌ বিষয়। ওসিডি। আমার বোধহয় ওসিডি নিয়েও ওসিডি আছে। অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখি ইদানীং। কিছু মনে থাকে, কিছু তৎক্ষণাৎ মনে থাকে, পরে ভুলে যাই। বিকালবেলা দেখলাম খরগোশ ডিম পাড়ে, আমি একটা মাঠে বাস্কেট-হাতে খরগোশের ডিম খুঁজে বেড়াচ্ছি। কালকে লিংগুইস্টিক্‌স্‌ পরীক্ষা। খরগোশের ডিম।

Day 2

আজকে বাসায়। বিকালের বাসে ফেরার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। ক্যাম্পাসের এই একটা জিনিসই বোধহয় কখনও পুরানো মনে হবে না। যেই স্বপ্নগুলা ভুলে যাই সেইগুলা এইজন্য ভুলে যাই না যে ভুলে যাই, এইজন্য ভুলি কারণ মনে রাখি না, মনে রাখা প্রয়োজন মনে করি না। ইস্টার বানি তো ডিম পাড়ে। নাকি পাড়ে না?

Day 3

আমি মাঝে মাঝেই ভাবি উপন্যাস লিখব, কিন্তু কী নিয়ে লিখব ঠিক করতে পারি না। I never can figure out the plot. আমি মাঝে মাঝে এটাও ভাবি… আমার সব লেখা কি একই রকম? একই বিষয় নিয়ে একইভাবে কি আমি ঘুরায়ে-ফিরায়ে লিখে যাচ্ছি? বেশ ক্লান্তিকর হওয়ার কথা ব্যাপারটা।

Day 4

আজকে পরিত্যক্ত সুইমিং পুলে লাফ দিয়ে নামলাম। সিঁড়ি ছিল না। নামতে গিয়ে হাঁটু ছিলে গেল অবশ্য। হাঁটাহাঁটি করলাম কিছুক্ষণ। পানিবিহীন সুইমিং পুল। মাঠের মতো। উঁচু জায়গা থেকে লাফ দিতে ভয় লাগে না আমার। কিন্তু আজকে কেন যেন নামতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু নামলাম। মুভি দেখলাম রাতে। The Fault in Our Stars। I cry watching movies. I cry when I’m not watching movies. Have I any hope? কালকে বাসায় যাব। আবার বিকালের বাস। I often also laugh in the middle of crying. Perhaps I do have hope.

Day 5

কী কী জানি অনেককিছু লিখতে চাচ্ছিলাম, কিন্তু ঘুম পাচ্ছে খুব। ঘুমের চোটে সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে।

Day 6

The Fault in Our Stars – মুভির মূল দুই চরিত্রেরই ক্যান্সার, দুইজনেই জানে সুনার অর লেইটার তারা মারা যাবে। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা যদি জানতাম আমরা কবে মারা যাব, আমরা কী করতাম? একদম দিনতারিখ ঠিক করে, অমুকদিন এতটায়… কোনোকিছু কি আমরা ভিন্নভাবে করতাম, কিছু কি বদলাত? আমার ধারণা কিছুই বদলাত না। সব একই থাকত। The core, the essence of the person that we are, would still stay the same. We wouldn’t do anything differently. Everything would be the same.

Day 7 – X

Day 8

০১

In Time আরেকটা মুভি আছে। সবাই জানে তারা কবে মারা যাবে, সবার কব্জিতে একটা করে ঘড়ি। রিভার্স টাইম দেখায়, তোমার হাতে আর কত সময় আছে। সময় কিনে নেয়া যায়, বিক্রি করা যায় প্রয়োজন পড়লে। এই সময় কেনাবেচা নিয়ে আবার একটা ক্যাপিটালিস্ট সিস্টেম।

আমার মনে হয়, হঠাৎ যদি এমন হয় যে আমরা সবাই জানব আমরা কবে মারা যাব, আমরা আসলে জানব না। আমাদের জানানো হবে না। অ্যানার্কি হবে তো। এক্সট্রিম মেলান্‌কলি কিংবা ইউফোরিয়া… সিস্টেম সেটা হ্যান্ডেল করতে পারবে না তো।

০২

আমিও লিখতে পারছি না। বা, লিখছি না। না, লিখতে পারছি না। ভাবছি। কিন্তু ভাবনাগুলাও বিক্ষিপ্ত। আমি ফোকাস্‌ট্‌ না একদম আর, মাইন্ডফুল না। আশেপাশের কোনোকিছু সম্বন্ধেই আওয়্যার না, কারো সম্বন্ধেই না। রোজকার যা-যা করা প্রয়োজন সবই করছি, কিন্তু যেন আমি করছি না। যেন আমি এখানে নাই।

০৩

আবার পানিতে। সাঁতার কাটতে পারলাম না। খাবি খেলাম। তবে ডুবি নাই। বিপদ এখনও কাটে নাই অবশ্য। এখনও পানিতে।

০৪

জীবন তো অর্থহীন। বেঁচে থাকা… আওয়ার ভেরি এক্সিস্‌টেন্স… মিনিংলেস তো, না? তো সেটা তো ভালো হওয়ার কথা। অর্থহীনই যদি হবে তাহলে তো যা ইচ্ছা তা-ই করা যাওয়ার কথা। কিন্তু তা-ও তো করছি না। কী করছি?

Day 9

One of those days when you wake up in the morning and feel this hollow, this void, and you cannot for the life of you figure out why you’re feeling this way because everything was perfectly fine the night before. You feel restless (funny, standing in the face of nothingness you’re supposed to feel calm). Perhaps because you can’t figure out the reason why. Perhaps because you know the reason why.

Day 10 – X

Day 11

কালকে গভীর রাতে ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল। গভীর রাত বলতে আড়াইটা। টর্চ জ্বালায়ে বাথরুমে গেলাম। পরে করিডরে এসে টর্চ নিভায়ে দিলাম। সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল, বৃষ্টি হয় নাই। রাতে আকাশ লালচে হয়ে থাকল, আর ঠাণ্ডা বাতাস। করিডর একদম অন্ধকার ছিল, একমাথা থেকে আরেকমাথা দেখা যায় না। টর্চ জ্বালালে ভৌতিক লাগে বেশ। হলের বারান্দা থেকে লাল আকাশের মাঝখানে বড় বড় গাছ দেখা যায়। সেগুলা পার হলে হাইওয়ে। বাস-ট্রাক যায়। দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে মনে হল একটা হরর শর্টফিল্ম বানানো দরকার। আমিও কিম কি দুকের মতো দূরে কোথাও যেয়ে একা একা থাকব। সাথে বিড়াল থাকবে না অবশ্য, কুকুর থাকতে পারে। আর তিন বছর থাকব না। বোর লাগার কথা। কালকে দুপুরে বসে বসে আপেল খাচ্ছিলাম, এক ফ্রেন্ড বলল আপেলের বিচি খেলে মানুষ পাগল হয়ে যায়। আপেলের চারটা বিচি খেয়ে ফেললাম। পাগল হই নাই।

Day 12 – X

Day 13

A friend of mine once tried to hypnotize me. I pretended that it was working, I pretended to be hypnotized. She asked me questions and I answered, in an apparent hypnotic state. My friend was thrilled. My play-acting gave her goosebumps.

I cannot write. For now, for the time being, I cannot write. Maybe it’s for a reason, maybe there’s no reason at all. But whatever it may be, I need to try and make peace with it. I need to accept it. For now. For the time being. Perhaps it’ll pass, perhaps I’ll find some sort of an answer, an explanation. Perhaps time will tell. [Perhaps… Maybe… Perhaps… Will I ever be certain of anything?] Until then, I need to stop play-acting, no matter how much goosebumps it gives me or anyone else.

 

২৪ অগাস্ট ২০১৪-০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪

৫×৩০

২০ এপ্রিল ২০১৪

অসহনীয় উত্তাপ। অ্যাংস্ট আপাতত অনুপস্থিত। কালকে রাতে পুরানো পোকার কামড় আবার টের পেলাম। ডুব দিতে উদ্‌গ্রীব। উপদেশবাণীগুলার আমার প্রয়োজন ছিল না।

২১ এপ্রিল ২০১৪

দীর্ঘমেয়াদী অসুখ মানুষকে পরিবর্তন করে দেয় বোধহয়। ছোটবেলায় ওরা টিকটিকির ডিম বগলের নিচে রেখে বাচ্চা ফোটাত। এখন ওরা অনিশ্চিত। রাতটা লম্বা হবে। রুমটা অনেক ঠাণ্ডা।

২২ এপ্রিল ২০১৪

গ্রেইট এক্সপেক্টেইশন্‌জ্‌। গ্রেইটার ডিসাপয়েন্টমেন্ট। জানালায় পর্দার বদলে বিছানার চাদর কাপড়ের ক্লিপ দিয়ে আটকানো। ফ্যান ঘোরে। ক্লান্ত।

২৩ এপ্রিল ২০১৪

পোস্টকলোনিয়াল থিওরি। আজকে জানালায় পর্দা আছে। মুভি দেখতে গিয়েও দেখলাম না। কলমটার কালি শেষ হচ্ছে না। একটা নীল রংয়ের কাঁচির আগমন।

২৪ এপ্রিল ২০১৪

ঘটনাহীন দিন। একখানে বেশিদিন থাকার অস্থিরতা। হোয়াইটবোর্ডে মার্কার। সবারই বোধহয় নিজস্ব কিছু সংগ্রাম থাকে। মিস্টার ব্যাংক্‌স্‌ই বেঁচে গেল মাঝখান দিয়ে।

২৫ এপ্রিল ২০১৪

আমাদের সবার গন্তব্য এক ছিল কিন্তু উদ্দেশ্য আলাদা। কিংবা, একই। এবং আমরা সবাই জানতাম। মনে থাকবে না কারো। নিতান্তই ইনসিগনিফিক্যন্ট।

২৬ এপ্রিল ২০১৪

অপ্রত্যাশিত ইমেইল। প্রত্যাশিত বৃষ্টি। দরজা খুললাম কিন্তু বের এখনও হই নাই। গেইম অভ থ্রোন্‌স্‌। আমার খালি দাবার কথা মনে হচ্ছে।

২৭ এপ্রিল ২০১৪

দ্য ফ্যান্টম অভ দি অপেরা। হিরো অ্যান্টিহিরো। আমি জানি আমিও শয়তানের সাথে চুক্তি করতাম। অনিবার্য তাই। অর্থবহ তাই।

২৮ এপ্রিল ২০১৪

চিরন্তন বিষণ্নতা। মহাজাগতিক বিষণ্নতা। একদিন হয়তো সত্যিই বিষণ্নতায় পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। এবং কারো কিছু আসবে যাবে না তাতে। কলমটার কালি শেষ।

২৯ এপ্রিল ২০১৪

ডাইলেমাজ অ্যান্ড ডুয়ালিটিজ। ছোট্ট বাক্সে পেপার ক্লিপ আর স্ট্যাপলার পিন। এক প্যাকেট আচার। পছন্দ না তাও খাচ্ছি। যে-দিনটা এমনি এমনিই পার হয়ে গেল সে-দিনটার কী হবে?

৩০ এপ্রিল ২০১৪

আত্মমগ্ন। আত্মকেন্দ্রিক। আত্মকিছুএকটা। সরি হাচিকো তোমার সাথে দেখা হল না। আরেকদিন।

০১ মে ২০১৪

মাঝে মাঝে এত অকিঞ্চিৎকর সব উপলক্ষে লিবারেটেড লাগে যে লিবারেশনের ধারণা নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। ফাঁকা রাস্তা, ভরাট মাথা। একেকটা রাস্তার সাথে একেকজন মানুষকে অ্যাসোশিয়েট করা ঠিক না বোধহয়। তিনদফা হেলিকপ্টারে চড়লাম। ঐ এলাকাটা এত অন্ধকার কোনোদিন ছিল না।

০২ মে ২০১৪

অনেক উত্তেজনার পর অনেক ক্লান্তি। ব্যান্ড-এইড তোলার ব্যথা। কি কি অদ্ভুত সব উপায়ে আহত হই আমি। মাথাব্যথা। তোমার মৃত্যু নিয়ে কিছু লিখলাম না।

০৩ মে ২০১৪

কুকুরটাকে চাপা দিয়ে চলে গিয়েছিল কেউ। কাকেরা ঠোকরাচ্ছিল। মাঝরাস্তায়। আর আমি কুকুর পোষার সংকল্প করি। নাম ঠিক করি অবিদ্যমান কুকুরের।

০৪ মে ২০১৪

আমি তোমার গল্পগুলা নিয়ে নিব। তোমারও। প্রতিশোধ। আমি সিদ্ধান্ত নিব তারা কেমন হবে। আমার নিয়ন্ত্রণ।

০৫ মে ২০১৪

জমে থাকা ঘুম। মেঘ ডাকে। বৃষ্টি হয় না। অথচ ঝড় চাচ্ছিলাম। দুর্যোগ দেখার কত শখ।

০৬ মে ২০১৪

তুমি চলে যাচ্ছ। আবার। আমি বিক্ষিপ্ত হয়ে যাব। এবং বিক্ষেপ খুঁজে বেড়াব। আবার।

০৭ মে ২০১৪

ভেজামাটি। ফোটোগ্রাফ। গান। টেক্সট ড্রাফট। কেন্দ্র আর বিক্ষেপ বদলযোগ্য নাকি?

০৮ মে ২০১৪

যেন আমি চোখ বন্ধ করলেই সব শেষ হয়ে যাবে। অস্থিরতা। অনিশ্চয়তা। অশান্তি। আমি তাই-ই করব যা করার প্রয়োজন।

০৯ মে ২০১৪

ছেড়ে দিলাম। সাময়িক হলেও। জগতে কোনোকিছুই তোমার পরিকল্পনামাফিক হবে না। তারচেয়ে মাথায় গান নিয়ে ঘোরা ভালো। ‘সে কি জানিত না আমি তারে যত জানি’।

১০ মে ২০১৪

সবুজ ব্যাগের বদলে খয়েরি ব্যাগ। সবুজ না, শ্যাওলা রং। অসহ স্থবিরতা। চলা প্রয়োজন। চলে যাওয়া প্রয়োজন। কেউ কেউ একজায়গাতেই সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।

১১ মে ২০১৪

স্বপ্ন দেখছি কিন্তু মনে থাকছে না। আবছায়া। ঢোকো আরও গর্তের ভিতর। থাকো আরও ওইখানে বের হয়ো না। ভালো হবে।

১২ মে ২০১৪

ল্যাম্পপোস্টে বাতিটা জ্বলে-নেভে। আকাশটা লাল। বাতাসটাও কেমন। সেই রাতে রাত ছিল। পূর্ণিমা না।

১৩ মে ২০১৪

আঙুল কেটে গেল। টের পেলাম না। আমার খালি কাটে আর আমি টের পাই না। সাইকোঅ্যানালিসিস। ‘গরম লাগে তো তিব্বত গেলেই পার।’

‌১৪ মে ২০১৪

আবার ভেজামাটি। এবার আকাশ কমলা। করিডরে রঙিন কাগজ, খুলে খুলে যায়। আমরা ওড়ার পরিকল্পনা করছি। পড়ে যদি যাই?

১৫ মে ২০১৪

বাথরুমে ঝিঁঝিপোকা। মাকড়শাটা দেখল না? সবাই ফিরে যাচ্ছে আজকে। আমি চলে যাচ্ছি। ঘর বিষয়ে সন্দিহান।

১৬ মে ২০১৪

ডেলিরিয়াম। রং চা। কনডেন্সড মিল্ক আর চিনি দেয়া প্রচুর মিষ্টি চা না। আমি ধাবমান বাসের সামনে দাঁড়িয়ে যাই। আমার সারা জীবনে কোনো ভৌতিক অভিজ্ঞতা নাই।

১৭ মে ২০১৪

কতকিছু করি না। কেউ মানা করে না তাও করি না। আরও কী কী বলবা তোমরা আমাকে? প্রত্যেকে? আমি জানি।

১৮ মে ২০১৪

টেবিলে বইয়ের স্তূপ। বুকশেলফে ধুলা। স্টিকি নোটে টু-ডু লিস্ট। হোয়াইটবোর্ডে না-মোছা লেখা। ওয়ান অভ দোজ ডেইজ।

১৯ মে ২০১৪

এলিয়েন দেশে। ইন সার্চ অভ লাইটনেস? পরিশেষে বিশাল বিল্ডিং, বরফ-শীতল ক্ষুদ্র রুম। প্রখর রোদে রাস্তা। আমরা যাচ্ছিলাম, আমরা আসছি।