স্বপ্নসংক্রান্ত ১১

আমাদের মধ্য থেকেই কেউ একজন আমাদের মেরে ফেলতে চায়। আমরা জানি কিন্তু আমরা জানি না কে।

Advertisements

স্বপ্নসংক্রান্ত ১০

কেউ একজন অনেককে খুন করছে। আমার পরিচিত লোকজনকে। আমারই উপস্থিতিতে। এবং উভয়েই জানে যে আমি বর্তমান। আমার সামনে তারা নির্বিঘ্নে খুন করছে, হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আতঙ্কিত হচ্ছি। খাটের নিচে লুকাচ্ছি। যেন খুনগুলা আমার করা। কিন্তু আমি তো খুন করি নাই। তারপরও পালাচ্ছি।

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৯

আমরা একটা নতুন এলাকায় গেছি, বা নতুন শহর। অন্ধকার, রাতের বেলা – রাস্তা, দোকানপাট, শীতের কাল, কানটুপিপরা লোকজন চায়ের দোকানে। হঠাৎ একটা কুকুর আসল। কালো রংয়ের, হাসিখুশি। আমি আহ্লাদী করতে লাগলাম, কুকুর লেজ নাড়তে লাগল, পিছন-পিছন যেতে থাকল। কার বাসায় যেন যাওয়ার কথা ছিল আমাদের। আমরা গেলাম, কুকুরটাও গেল। আমরা পৌঁছালে পর যার বাসা সে দরজা খুলল। কুকুরটার দিকে তাকাল সে। তাকায়ে থাকল। তারপর বলল, তোমাদের সাথে যে কুকুরটা, সে কুকুর না।

স্বপ্নসংক্রান্ত ০৮

একটা পুরাতন বাড়ি। বা পুরাতন দেখতে নতুন বাড়ি। আমি ছাদে। বৃষ্টি ছিল হয়তো, ফ্লোরে পানি ছিল। আর কেমন যেন গুঁড়াগুঁড়া পাথর। কাচের টুকরার মতো, সিমেন্টের মতো, মোজাইকের মতো। ছাদ থেকে নিচে নামতে হলে একটা বারান্দা-মতন টপকে নামতে হয়। আমি নামতে গিয়ে পড়ে গেলাম। এবং পড়তেই থাকলাম। হঠাৎ দেখলাম আরেকটা মেয়েও পড়ছে, আমার পাশে পাশে। আমরা কথা বলতে লাগলাম। পতন শেষ হওয়ার পর বাড়িটা ঘুরে দেখতে লাগলাম আমরা। প্রাসাদের মতো বাড়ি। বিরাট করিডর, আধো অন্ধকার, শব্দ নাই। আমরা একটা একটা করে রুমে ঢুকতে লাগলাম। দেখলাম অনেকজন মেয়ে। সবাই ঘুমাচ্ছে। কাপড় নাই কারো গায়ে। আরেকটা রুমেও একই দৃশ্য। তারপর আরেকটা রুম। তৃতীয় রুমটায় যাওয়ার পর একজনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। সে তাকাল আমাদের দিকে।

চেস্টার বেনিংটন, লিংকিন পার্ক: এলিজি কিংবা ইউলোজি

CB1
চেস্টার বেনিংটন

তখন আমরা টিনএইজ অ্যাংস্ট জানি না, কিন্তু যাপন করি। আলাদা করে গান শোনার তখন মাত্র শুরু। ডে-শিফ্টের স্কুলে যাওয়ার আগে রেডি হইতে হইতে এমটিভি আর ভিএইচওয়ান। চ্যানেলগুলা অ্যাড-জর্জরিত হয়ে যাওয়ার আগের দশা, গানই শোনাইত তখন, গানই দ্যাখাইত। তখন প্রথম লিংকিন পার্ক চেনা। পয়লা ক্রলিং, তারপর ইন দি এন্ড। হাইব্রিড থিওরি খুবসম্ভব প্রথম কেনা পাঁচটা সিডির মধ্যে একটা। তখন আমরা অ্যালবাম কিনে গান শুনতাম, তখন আমাদের শোনার কান মাত্র তৈরি হইতেছে। আমাদের ডেইজ্‌ড্‌ অ্যান্ড কনফিউজ্‌ড্‌ টিনএইজের অস্বস্তিতে এলপির গান আমাদের স্বস্তি দিত। আমাদের ব্যক্তিত্ব তখনও গজায় নাই। খড়কুটার মতন ভাইসা যাওয়া অশান্তির জগতে এলপি তখন শান্তি, ভাষাহীন অভিযোগ-অনুযোগের জগতে ভাষা। নিজেকে অবাক করে দিয়ে লিংকিন পার্ক শুনতে শুনতে একদিন ঘুমায়ে গিয়ে ভাবছিলাম এই চিল্লাচিল্লির মধ্যে ঘুম কিভাবে আসে। তখনও জানি নাই যে কেওসের মধ্যেই নির্বাণ থাকে, তা সে স্বল্পক্ষণ থাকলেও।

এলপির আগে টিনএইজ অ্যাংস্টের সিনে বোধহয় ছিল অ্যাভ্রিল লাভিন, এভানেসেন্স। এলপির পর আস্তে-ধীরে আসল গ্রিন ডে, অডিওস্লেভ। ইনোসেন্স টু এক্সপিরিয়েন্স। এলপি অনেকটা কানেক্টিং পয়েন্ট ছিল, ট্রানজিশনের ঠিক মাঝখানে। এই পয়েন্টে আমাদের নিয়ে আসছিল চেস্টার। সেই চিৎকারটা চেস্টারেরই ছিল যেই চিৎকারটা আমাদের ভিতরেও ছিল, বাহিরে আমরা আনতে পারি নাই। ও, ওরা যা বলত তা আমরাও বলতে চাইছিলাম, ওরা বলার পর মিলাইতে পারছি। সারাগায়ে পিলপিল করে হাঁইটা বেড়ানো রাগ-ক্ষোভ-ভয়-গ্লানি-অসহায়ত্বের মাঝে আমাদের মগজের জন্য ঠাঁই ছিল ওদের গান। এই কেউ-কিছু-না-বোঝা, এমনকি নিজেও না, যে ক্যামন লাগে – ওরা বুঝত, ওরা বলত যে এমন লাগে। চেস্টারের চিৎকারটা, ভিতরে ভিতরে চেস্টারের সাথে দিতে থাকা আমাদের চিৎকারটা তবে একটা কালেক্টিভ চিৎকারই ছিল। এসবের সাথেই আমরা আবছা আবছা ধরতে পারতেছিলাম যে আমরা নিশ্চয়ই অত একাও না, আমরা নিশ্চয়ই অনেক।

হাইব্রিড থিওরির পর মিটিওরা, তারপর মিনিট্‌স্‌ টু মিডনাইট। এরপর থেকেই এলপি থেকে দূরত্বের শুরু। এরপর থেকেই হয়তো আমরা বড় হয়ে যাচ্ছিলাম, এলপিকে ছাড়ায়ে। কিংবা আমাদের মনে হচ্ছিল যে এলপি আর আগের মতো নাই, পাল্টায়ে যাচ্ছে। পরিবর্তনকে ভালো-খারাপ ছাড়ায়ে শুধু পরিবর্তন হিসাব হয়তো আমরা দেখি নাই তখনও। দূরত্ব আর নৈকট্যের জটিল ডায়নামিক্সটা আবার উপলব্ধি হইল চেস্টারের মৃত্যুতে। লিংকিন পার্ক যে কোর মেমোরির একটা অংশ হয়ে গেছিল, এত বছর পরও তাদের সুর-তাল-কথা যে মনে রয়ে গেছে, সেইটা টের পাই নাই। টের পাই নাই লিংকিন পার্ক তারচেয়েও বেশি গুরুত্ববহ, যতটুকু ভাবার কথা খেয়ালে আসে নাই।

গান আমাদের টাইম ট্র্যাভেল করায়। আমাদের টিনএইজ ফেরত আসল, এলপি ফেরত আসল, আর এইসবের মাঝে আবার, কানেক্টিং পয়েন্টে চেস্টার। চেস্টার বেনিংটন। যে কিনা সিংস লাইক অ্যান এইনঞ্জল, স্ক্রিম্‌স্‌ লাইক আ ডেভিল। যাঁর জন্য রেস্ট ইন পিস বলতে পারতে সপ্তাহ ঘুরায়ে যায়, শেষে রেস্ট ইন রক বলা যায় কোনোমতে। তাঁর জার্নি, ১৯৭৬ থেকে ২০১৭, কিংবা ১৯৯৯ থেকে ২০১৭। তাঁর ট্রমা, তাঁর ডিপ্রেশন। এসবের কিছু আমরা জানছি, কিছু আমরা জানি নাই। কিন্তু তাতে চেস্টারের সাথে আমাদের সম্পর্কের হেরফের হয় নাই। আমরা জানতাম যে যা কেউ জানে নাই, তা আমরা-আমরা জানি। চেস্টারকে নিয়ে, লিংকিন পার্ককে নিয়ে আমার এরকম গল্প আছে। সেইটা একটা গল্প। এরকম বহুজনের বহু গল্প আছে। আর সেই গল্পগুলা একতরফা না, দীর্ঘ সময়ের যোগাযোগে তৈরি হওয়া গল্প। আর শেষপর্যন্ত কিছুতেই কিছু এসে যায় না বললেও এসে আসলে যায়। অন্তত এইটুকুতে এসে যায়।

CB2
চেস্টার বেনিংটন (মার্চ ২০, ১৯৭৬ – জুলাই ২০, ২০১৭)

জগদ্দল

আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। পাথর ঠ্যালে আর গড়াইয়া পড়ে ঠ্যালে আর গড়াইয়া পড়ে। তাও সে ঠ্যালে, ঠেইলাই যায়। আমি পাথরের মতন ডুইবা যাই পানিতে, তলাইয়া যাই। পানির তলেই থাকি আমি। পানি কাইটা যাই এদিক ওদিক। নদীর পানি, নদীর পাশেই পাহাড়। আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। দিন যায় রাত যায়, দিন আসে রাত আসে। ঘুম নাই, খিদা নাই, তৃষ্ণা নাই। ঠ্যালনের কাম তার। আমি তো পানির তলায়। পানির তলের কাদা আমারে আটকাইয়া রাখে, গাঁইথা রাখে। আমার বাড়ির পাশে আরশিনগর, আমি তারে দেখি না। আমার সিসিফাস পাথর ঠ্যালে। আমি দিন গুনি রাত গুনি। পানির তলে সময় পার হয় ধীরে বড় ধীরে। গতি যেন বাড়ে না। আবার বাড়লেও

Continue reading

Nepal 2016 aka Sometimes You Don’t Call But They Come

08. 09. 16

Day 1

The airport today seems like a comparatively bigger bus stand. ‘bhai Singapore jaben, Singapore? You wanna go to Singapore, Bro?’ Saw one pretty guy. Only one.

Forty-five minutes. Then the landing. The airport took the noon, the hotel took the afternoon. The evening gave Boudhanath.

And there she was. The Lady in Red. The Lady who looked like she was searching for something. Or someone? Or was she searching at all? Everyone was turning round in circles. I turned the circle wrong.

The night gave MoMos. MoMos that I missed, MoMos that I craved. MoMos that I still loved equally as much, if not more. MoMos that after having them made me realize that perhaps in my memory I had enhanced their taste manifold in my memory. The past was easier. In the present.

In midst of the blinking lights, the chicken MoMos, the Sangria, and the “She Will Be Loved” coming afloat from a faraway bar I thought that these thoughts might just get lost. And I thought that I might never be happy with anyone, anywhere.

Midnight made me sink into sleep. [And think that I want to get drunk with you.] The bed was too soft.

 

09.09.16

Day 2

On the road. From Kathmandu to Pokhara.

It rained. And I saw the most beautiful purple-orange hue I ever saw.

Then came food, rain and music. And a dancer whose sad and distant look reminded me of Gong Li, in some WKW movie.

A late night friend kept me company. Or I him. Not that he asked for it. I did.

 

10.09.16

Day 3

Pokhara. The attempt, the desire – to see the sun rise, on the mountains. The clouds, the fog, the drizzle. A peek. It was beautiful. It was mountains. Mountains are not my thing. I cannot climb them.

 

11.09.16

Day 4

On the road. From Pokhara to Kathmandu. For what seemed like forever. The Lady in Red crossed my mind. And the shawls that lured humans to just feel them.

6

 

12.09.16

Day 5

Nagarkot, Bhaktapur. The old. Anew.

 

13.09.16

Day 6

Kathmandu again. Wondering about human connections. Who do I feel connected with? Do I?

Patan Durbar Square. Museum. The old again. Anew.

Boudhanath again. Devotion, prayer. Going round. Because that’s what you do when you’re devoted. That’s what you do when you pray. You go round. And round. Again. You repeat.

 

14.09.16

Day 7

Kathmandu. The last day. The end. Are ends ever ends?

End of the travel. Or the tour? Are you a traveller or a tourist? The line between differences and similarities is very thin.

‘Do you still get cranky and sad after leaving a place?’

Went to a rock bar and didn’t dance. Saw a cute guy and didn’t flirt. [And thought that I still want to get drunk with you.] He left after a while, though, I think. Didn’t see him anymore, couldn’t find him.

The band started playing. She will be loved. Again.

 

15.09.16

Day 8

Airport. Delayed flight. Sitting reading Middlesex for what seemed like forever. The end for real. The end for real? Someone said forever can be one second.

14295463_672424899577224_901050545_n